নতুন নাম চালু হলেও গ্রাহকদের জন্য বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না। এয়ারটেলের বর্তমান গ্রাহকেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘সার্কেল’-এর গ্রাহক হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাদের ব্যবহৃত ০১৬ নম্বর, বিদ্যমান প্যাকেজ, ব্যালান্স ও অন্যান্য সেবা আগের মতোই চালু থাকবে ।

এ ছাড়া গ্রাহকদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট, লেনদেন এবং ব্যক্তিগত তথ্যেও কোনো পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে রবি। এসব সেবা স্বাভাবিকভাবেই সচল থাকবে।

রবি আজিয়াটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এয়ারটেল বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে এগিয়ে এসেছে। ‘সার্কেল’ সেই ধারাবাহিকতারই নতুন অধ্যায়। ব্র্যান্ডের নাম পরিবর্তন হলেও গ্রাহকদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে।

নতুন ব্র্যান্ডের মূল বার্তা হিসেবে রাখা হয়েছে ‘আসল সংযোগ, সবসময় সচল’ । তরুণদের দৈনন্দিন ডিজিটাল জীবনের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত থাকাই হবে নতুন ব্র্যান্ডের অন্যতম লক্ষ্য। বিনোদন, গেমিং, কনটেন্ট তৈরি ও অন্যান্য ডিজিটাল কার্যক্রমে নির্ভরযোগ্য সংযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেবে ‘সার্কেল’।

বাংলাদেশে ব্র্যান্ডটির যাত্রা শুরু হয়েছিল অন্য নামে। আবুধাবি গ্রুপের মালিকানাধীন ওয়ারিদ টেলিকম ২০০৫ সালে বাংলাদেশে লাইসেন্স পাওয়ার পর ২০০৭ সালের মে মাসে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ভারতের এয়ারটেলের কাছে এর মালিকানার বড় অংশ বিক্রি হলে প্রতিষ্ঠানটির নাম হয় এয়ারটেল বাংলাদেশ। এরপর ২০১৬ সালে রবি আজিয়াটার সঙ্গে একীভূত হয় অপারেটরটি।

প্রায় এক দশক এয়ারটেল ব্র্যান্ড নামে কার্যক্রম চালানোর পর এবার ‘সার্কেল’ নামে নতুন পরিচয়ে সামনে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে দুই দশকের বেশি সময়ের যাত্রায় এটি ব্র্যান্ডটির তৃতীয় নাম পরিবর্তন।