IPO কেন করা হয়?
কোম্পানি নতুন কারখানা তৈরি, ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ বা অন্যান্য নির্ধারিত কাজে অর্থ সংগ্রহের জন্য IPO করতে পারে। বিনিয়োগকারীরা IPO-তে শেয়ার কিনে ভবিষ্যতে শেয়ারের দাম বাড়লে লাভ করার সুযোগ পান। কোম্পানি মুনাফা করলে নিয়ম অনুযায়ী লভ্যাংশ পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
IPO-তে কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?
বাংলাদেশে IPO-তে বিনিয়োগের জন্য সাধারণত BO (Beneficiary Owner) অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট IPO-এর বিজ্ঞপ্তি ও শর্ত দেখে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হয়।
সহজভাবে ধাপগুলো হলো—
১. BO অ্যাকাউন্ট খুলুন অনুমোদিত ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে BO অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।
২. IPO-এর তথ্য দেখুন কোম্পানির ব্যবসা, শেয়ারের অফার মূল্য, কত টাকা সংগ্রহ করবে এবং অর্থ কী কাজে ব্যবহার করবে—এসব তথ্য যাচাই করুন।
৩. নির্ধারিত সময়ে আবেদন করুন IPO খোলার সময় ও আবেদনের নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করতে হয়।
৪. বরাদ্দ পাওয়া নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ হলে শেয়ার BO অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
৫. তালিকাভুক্তির পর লেনদেন কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর বাজারের নিয়ম অনুযায়ী শেয়ার কেনাবেচা করা যায়।
IPO-তে বিনিয়োগের আগে সতর্কতা
IPO মানেই নিশ্চিত লাভ নয়। তালিকাভুক্তির পর শেয়ারের বাজারমূল্য কমেও যেতে পারে। তাই শুধু শেয়ারের অফার মূল্য দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, ব্যবসার ধরন, মুনাফা, ঋণ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং IPO থেকে পাওয়া অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে জানা জরুরি।
সংক্ষেপে, IPO হলো কোম্পানির প্রথমবার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের প্রক্রিয়া। নতুন বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য লাভের পাশাপাশি লোকসানের ঝুঁকিও বিবেচনা করে বিনিয়োগ করা উচিত।
