জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কমাতে দেশে উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ ও সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ, আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনী ও বনায়ন কার্যক্রমও জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোও বাংলাদেশের অন্যতম উদ্যোগ। সৌরবিদ্যুৎসহ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ তুলে ধরে এবং অভিযোজন, জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা জানায়।
তবে জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবেশ রক্ষা, বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিক দূষণ কমানো, পানি ও জ্বালানির সঠিক ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা করে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।